ইসলামী ব্যাংকে অবৈধ নিয়োগের অভিযোগে বাঞ্ছারামপুরে মানববন্ধন
মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী চাকরি প্রত্যাশী পরিষদের আহ্বান—২০১৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ৭ হাজারের বেশি নিয়োগ ‘অবৈধ’ দাবি অংশগ্রহণকারীদের
ডেস্ক রিপোর্ট
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-সহ ব্যাংকিং সেক্টরে অবৈধ ও একচেটিয়া নিয়োগ বাতিল করে মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে মানববন্ধন করেছে বৈষম্যবিরোধী চাকরি প্রত্যাশী পরিষদ।
সোমবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংকে ২০১৭ সাল থেকে এক জেলার প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে ব্যাপক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা সারাদেশের প্রার্থীদের প্রতি অন্যায় ও বৈষম্যমূলক আচরণ।
চাকরিপ্রত্যাশী ফজলে রাব্বি ফাহাদ বলেন, ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে এস আলম গ্রুপ চট্টগ্রাম জেলার প্রায় ৭ হাজার ২২৪ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছে, যার মধ্যে ৪ হাজার ৫০০ জনের বেশি পটিয়া উপজেলার। এতে দেশের ৬৩ জেলার প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন।
হেলাল উদ্দিন অভিযোগ করেন, এসব নিয়োগপ্রাপ্তদের অনেকেই গ্রাহকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন, পেশাদার সেবা দিতে অক্ষম এবং আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলায় যোগাযোগে সমস্যা হয়। ফলে ব্যাংকের সেবার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গ্রাহক শামীম নূর ইসলাম বলেন, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই একচেটিয়া নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। এতে ব্যাংকের সুনাম ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে।
স্থানীয় গ্রাহক দেলোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এস আলম কর্তৃক প্রদত্ত সব অবৈধ নিয়োগ বাতিল করতে হবে এবং সারাদেশের মেধাবী প্রার্থীদের মধ্য থেকে দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দিতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, এস আলম কর্তৃক পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনা, দায়-দেনা সমন্বয় এবং জব্দকৃত সম্পদ ব্যবহারের উদ্যোগ নিতে হবে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে অবৈধ নিয়োগ বাতিল না হলে গ্রাহকরা ইসলামী ব্যাংক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।