
বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে নিজেকে ‘ভুয়া চিকিৎসক’ হিসেবে প্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. শহীদুল্লাহ। তিনি দাবি করেছেন, তিনি একজন সরকার নিবন্ধিত কমিউনিটি প্যারামেডিক ও ডিপ্লোমা অপ্টোমেট্রিস্ট এবং তার বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগ বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্যে শহীদুল্লাহ জানান, উপজেলার বাঞ্ছারামপুর সরকারি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত তার প্রতিষ্ঠান ‘হাজী মোকলেসুর রহমান আই কেয়ার’-এ গত ৭ জুলাই উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এ সময় তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাকে ‘ভুয়া চিকিৎসক’ হিসেবে উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশিত হলে তিনি মানসিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হন বলে দাবি করেন।
তিনি বলেন, অভিযানের সময় প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র ও সনদ তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। তবে পরবর্তীতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তার পেশাগত যোগ্যতা ও নিবন্ধনের কাগজপত্র প্রদর্শন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে শহীদুল্লাহ আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি একজন নিবন্ধিত কমিউনিটি প্যারামেডিক ও ডিপ্লোমা অপ্টোমেট্রিস্ট হিসেবে চক্ষু সেবার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। যথাযথ প্রশিক্ষণ ও নিবন্ধনের ভিত্তিতেই তিনি তার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন বলে দাবি করেন।
তিনি বলেন, “আমাকে ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে উপস্থাপন করায় আমার ব্যক্তিগত সুনাম ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। আমি এ ধরনের প্রচারণার প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যমের কাছে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাচ্ছি।”
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।