……………………………………সোহাইল আহমেদ
অভিনব ব্যবস্থাপনায় ২মাস ব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বাস প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৪০ যুবক-যুবতীর কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী মোট ৪০ জন প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
বক্তারা বলেন, দেশে চাকরির তুলনায় চাকরিপ্রত্যাশীর সংখ্যা অনেক বেশি। আবার অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগদাতারা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল খুঁজে পান না। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সময়ে শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মাধ্যমে চাকরি পাওয়া ক্রমেই চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। তাই প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে টিকে থাকতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।
বক্তারা আরও বলেন, চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে, তবে এসব প্রশিক্ষণ সম্পর্কে অনেকেরই পর্যাপ্ত ধারণা নেই। তাই যুব সমাজকে এসব প্রশিক্ষণ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ডিজিটাল হলরুমে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার অন হুইলজড ফর আন্ডার প্রিভিলেজড রুরাল ইয়ং পিপল অব বাংলাদেশ (টেকার ২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় দুই মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সমাপনী বক্তব্যে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্বাস আলী বলেন, চাকরির পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করাও সময়ের দাবি। উদ্যোক্তাদের জন্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঋণসহ বিভিন্ন সহযোগিতা দিয়ে থাকে। বর্তমানে চাকরির বাজার অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক হওয়ায় দক্ষতা ছাড়া টিকে থাকা সম্ভব নয়।
“দক্ষ যুবক গড়বে দেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রকল্পটির আওতায় মোট ৪০ জন যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক শিক্ষার্থী দৈনিক হাজিরার ভিত্তিতে ভাতা হিসেবে ৮২০০ টাকা করে দেওয়া হয়।

