ঢাকাশুক্রবার , ৮ মে ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জনপ্রিয় সংবাদ
  9. জাতীয়
  10. ফটো গ্যালারি
  11. বিনোদন
  12. ভি‌ডিও
  13. ভিডিও গ্যালারি
  14. রাজধানী
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাদকবিরোধী পোস্ট দেওয়ায় ছাত্রদল নেতা টেটাবিদ্ধ, আটক ৩

admin
মে ৮, ২০২৬ ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মাদকবিরোধী পোস্ট দেওয়ায় ছাত্রদল নেতা টেটাবিদ্ধ, আটক ৩

রোজিনা বেগম, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী ফেসবুক পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলা ছাত্রদলের এক নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রহমাতুল্লাহ টেটাবিদ্ধসহ তার বাবা মতিউর রহমান ও বড় ভাই রুহুল আমিন গুরুতর আহত হয়েছেন। এসময় বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও একটি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত করার ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।

বুধবার (৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার দরিয়াদৌলত ইউনিয়নের বাখরনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে রহমাতুল্লাহ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে মাদকবিরোধী একটি পোস্ট দেন। পোস্টটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ রয়েছে, সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে একই এলাকার ফরহাদ, আলমগীর, কাদির ও জাহাঙ্গীরসহ কয়েকজন তার গতিরোধ করে মারধর করে। প্রাণ বাঁচাতে তিনি দৌড়ে বাড়িতে আশ্রয় নেন।

এরপর রাত ৯টার দিকে ২০ থেকে ৩০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রহমাতুল্লাহর বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। হামলাকারীরা বাড়িতে ঢুকে রহমাতুল্লাহকে টেটাবিদ্ধ করে এবং তার বাবা মতিউর রহমান ও বড় ভাই রুহুল আমিনকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করে। এসময় বাড়ির অন্তত ৯টি ঘরে ভাঙচুর চালানো হয় এবং একটি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। হামলার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আহত রহমাতুল্লাহ বলেন, “আমি ফেসবুকে মাদকবিরোধী একটি পোস্ট করি। সেখানে কারও নাম উল্লেখ করিনি। এরপরও তারা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রথমে বাজার থেকে ফেরার পথে আমার ওপর হামলা চালায়। পরে রাত ৯টার দিকে দলবল নিয়ে আমাদের বাড়িতে এসে হামলা করে। আমাকে টেটাবিদ্ধ করা হয়, আমার বাবা ও বড় ভাইকে মারধর করা হয়েছে। বাড়ির ৯টি ঘর ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীদের কারণে গ্রামের যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।”

স্থানীয় বাসিন্দা শাহ আলম বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে যারা সামাজিকভাবে প্রতিবাদ করছেন, তাদের ওপর হামলার ঘটনা উদ্বেগজনক। দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত।”

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা দুলাল মিয়া। তিনি বলেন, “রহমাতুল্লাহ ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়। যদিও সেখানে কারও নাম ছিল না, তবে ফরহাদকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে মনে করে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে হামলার ঘটনা ঘটে। তবে আমার নেতৃত্বে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগ সঠিক নয়। হামলার সময় আমি রাস্তায় ছিলাম।”

এ ঘটনায় আহত রহমাতুল্লাহর বোন জামাই হবিউর রহমান বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ ইয়াছিন জানান, ফেসবুকে দেওয়া মাদকবিরোধী স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং আলমগীর, ফরহাদ ও জাহাঙ্গীরকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।