বৃত্তি পরীক্ষায় বৈষম্য কেন? — সমান সুযোগই হোক শিক্ষার মূলনীতি!
সরকারি স্কুল পড়লে বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ, আর বেসরকারি কিন্ডারগার্টেনের ছাত্রছাত্রীরা থাকবে বাইরে—এ কেমন শিক্ষা নীতি?
এমনই প্রশ্নে উত্তাল হয়ে উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর। ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে শিক্ষা অধিদপ্তর। এর প্রতিবাদে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ঐক্য পরিষদের ডাকে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করে প্রায় ৫৫টি কিন্ডারগার্টেন।
বসন্ত টিভি
‘একটাই দাবি—সবার জন্য সমান সুযোগ’
৩০ জুলাই বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সদরে মানববন্ধনে অংশ নেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা।
নেতৃত্বে ছিলেন বিকপ-এর কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শামীম নূর, উপজেলা সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু কালাম সহ অনেকে।
তাঁদের ভাষ্য,
“শিক্ষা মানেই সমতা। সরকারি বা বেসরকারি—সব শিক্ষার্থীই রাষ্ট্রের সম্পদ। প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিতে সুযোগ বঞ্চনা হলে তা শিশুদের আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যতে প্রভাব ফেলবে।”
কেন এই সিদ্ধান্ত বাতিল হওয়া জরুরি?
-
📌 শিক্ষা হলো সাংবিধানিক অধিকার
-
📌 ‘সবার জন্য শিক্ষা’ রাষ্ট্রের ঘোষণা, বাস্তবে যেন বৈষম্য না হয়
-
📌 শিশুদের মধ্যে বিভাজন তৈরি হলে সমাজে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে
-
📌 শিক্ষার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পক্ষপাত অগ্রহণযোগ্য
🎯 অভিভাবকদের দাবিঃ
✅ অবিলম্বে পরিপত্র বাতিল
✅ সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ
✅ শিক্ষাকে শ্রেণিভেদহীন করতে হবে
“শিক্ষা যেন অধিকার থাকে, অনুকম্পা নয়।
শিশুর ভবিষ্যৎ গড়তে চাই সমতা, বৈষম্য নয়।”

